Showing posts with label কবিতা. Show all posts
Showing posts with label কবিতা. Show all posts

Jan 23, 2022

"বীর সুভাষ" - শাশ্বতী সেহানবীশ

Edit Posted by with 1 comment


 

বীর সুভাষ

শাশ্বতী সেহানবীশ

 

জন্মদিনস্য শুভাশয়াঃ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু

২৩শে জানুয়ারী প্রভাতে তোমারে প্রণমেষু।

ভারতমাতাকে ভালবেসে করে গেলে আত্মদান

তার বিনিময়ে তোমারে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।

যুগনায়ক তুমি বীর সুভাষ- যোদ্ধা তুমি-

তোমার মতো বীরের অভাবে আজ ধুকছে এ মাতৃভূমি।

রক্তের বিনিময়ে দিয়েছো স্বাধীনতা

তোমার গুণে তুমি-ই শ্রেষ্ঠ, ধন্য এ মানবিকতা।

সত্য তুমি ধন্য তুমি, তুমি বীর সুভাষ,

যুগে যুগে তারা তোমাকেই চায়, যাদের ঘটছে সর্বনাশ।

তোমার মূল্যবোধে তুমি-ই অনন্য

তোমার আত্মবলিদানে এ দেশ ধন্য।

তোমার মতো বীর আজ অমর

তোমার কর্মে তুমি-ই সাজালে সেনা সমর।

ফিরে এসো নেতাজী ধরো দেশ-ধ্বজা

আমরা সমরে প্রস্তুত, করছি রণ-সজ্জা।

তুমি এসে নেতা হয়ে প্রজ্জ্বলিত করবে দীপ

আজ তোমার জন্মদিনে ভারতবাসী জ্বালবে প্রদীপ।।

May 9, 2021

"অভিসার" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (নাট্যরুপ- বিক্রম শীল)

Edit Posted by with No comments

 


কবিতা- অভিসার

কবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নাট্যরূপ- বিক্রম শীল

 

দৃশ্য- ০১

প্রেক্ষাপট- বোধিসত্তাবদান-কল্পলতা সন্ন্যাসী উপগুপ্ত একদিন মথুরাপুরীর প্রাচীরের নীচে ধ্যানমগ্ন ছিলেন, নগরের দীপ বাতাসে নিভে গেছে, পৌর ভবনের দুয়ারও বন্ধ, শ্রাবণের রাতের তারা ছিল মেঘে ঢাকা হঠাৎ কারো নূপুর পায়ে হেঁটে আসার শব্দ শোনা গেল! সন্ন্যাসী চমকে জেগে উঠলেন, স্বপ্ন জড়িমা এক পলকে ভেঙ্গে গেল, আবছায়া দীপের আলোতে তার ক্ষমাসুন্দর চোখে তিনি দেখলেন নগরীর এক যৌবনমত্তা নটী তার নির্দিষ্ট অভিসারে হেঁটে চলছেন তার অঙ্গে সুনীল বরণ এর আঁচ, রুনুঝুনু শব্দে তার শরীরের অলঙ্কারগুলো শব্দ করছে। সন্ন্যাসীর কাছে এসে পা থমকে গেল বাসবদত্তার

প্রদীপ ধরে সন্ন্যাসীর নবীন গৌরকান্তি মুখের দিকে তাকালো সেই রমণী- সন্ন্যাসীর উজ্জ্বল মুখমণ্ডল, দু’চোখ থেকে যেন করুনার আলো ছড়িয়ে পড়ছে, সাদা কপালে যেন চাঁদের মতো স্নিগ্ধ শান্তি ছড়িয়ে পড়েছে।

চোখে লজ্জা জড়িয়ে নরম কণ্ঠে, রমণী বললেন- “আমায় ক্ষমা করুন কুমার কিশোর,

যদি দয়া কর আমার গৃহে চলেন। এই কঠিন ধরণীতলে থাকা খুব কষ্টকর, এখানে আপনি থাকতে পারবেন  না।’’

সন্ন্যাসী করুণ সুরে রমণীর দিকে তাকিয়ে বললেন- "এখনো আমার যাওয়ার সময় হয়নি, তুমি যেখানে যাচ্ছ সেখানে যাও, যেদিন সময় আসবে আমি নিজেই তোমার কাছে যাবো"

হঠাৎ সেখানে বজ্রপাত হল, ঝড়-ঝঞ্জা শুরু হল, রমণী ভয়ে কেপে উঠলেন, বাতাসে যেন প্রলয়শঙ্খ বেজে উঠলো। সারা আকাশ জুড়ে বজ্রপাতের মাধ্যমে কেউ যেন অট্টহাসি দিতে লাগলো

 

দৃশ্য-২

প্রেক্ষাপট- বছর তখনও শেষ হয়নি, সেদিন ছিল চৈত্র মাসের এক সন্ধ্যা বাতাস উতলা আকুল হয়ে উঠেছিল সেদিনপথের ধারের গাছগুলোতে মুকুল এসেছে। রাজার বাগানে বকুল, পারুল, রজনীগন্ধা ফুল ফুটেছে অনেক দূর থেকে বাঁশির মধুর সুর ভেসে আসছিল। আজ নগর একেবারে জনহীন, নগরের সবাই মধুবনে ফুল-উৎসবে যোগ দিতে গেছেন। শূন্য নগরের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ যেন নীরবে হাসছে নির্জন পথে জ্যোৎস্না-আলোতে এক সন্ন্যাসী একাকি পথ চলছেন মাথার ওপরে গাছের ডালে থাকা কোকিল কুহু কুহু রবে বারবার ডাকছে। এতদিন পরে আজ হয়তো সেই অভিসাররাত্রি এসেছে।

নগরের সীমানা পেরিয়ে সন্ন্যাসী বাইরের প্রাচীরপ্রান্তে এসে পৌঁছুলেন। এসে দাঁড়ালেন পরিখার পাড়ে, হঠাৎ আম্রবনের ছায়ায় গাছের নীচের আঁধারে কোন এক রমণীকে তিনি পড়ে থাকতে দেখলেন। কাছে গিয়ে দেখলেন নিদারুণ রোগে মারীগুটিকায় তার অঙ্গ ভরে গেছেতার প্রায় সারা শরীর রোগে কালো হয়ে গেছে। সেকারণে নগরের প্রজারা তাকে পরিখার বাইরে ফেলে দিয়ে গেছে। তাকে বিষাক্ত ভেবে সবাই তার সঙ্গ ছেড়ে দিয়েছে।

সন্ন্যাসী নীচে বসে রমণীর আড়ষ্ট মাথা নিজের কোলে তুলে নিলেন। তার শুষ্ক গলায় জল ঢেলে দিলেন। মন্ত্র পড়ে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। রমণীর সারা দেহে চন্দন লেপে দিলেন।

সেদিন জোস্না রাতে গাছের মুকুল ঝরছে, কোকিলের কুহু কুহু ডাক শোনা যাচ্ছে।

রমণী বললো- “ওগো দয়াময় তুমি কে?”

সন্ন্যাসী বললেন- “আজ রাতেই সেই সময় এসেছে, আমি তোমার কাছে এসেছি বাসবদত্তা!

 

(নাট্যরূপটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর চরণতলে একটি শ্রদ্ধার্ঘ্য মাত্র, কবির লেখনীর নাট্যরূপ দেওয়ার ধৃষ্টতা মার্জনা করবেন, যেকোনো ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখবেন এই নিবেদন রইলো- বিনীত লেখক)

Apr 27, 2021

"অসুখ" - পহেলী পাল

Edit Posted by with No comments

 


অসুখ

পহেলী পাল

 

একদিন কোনো সুখপাখি ডাক দিলে

চলে যাব, ফিরে ফিরে আসব না,

একদিন এই অসুখ যাবে সেরে

একদিন তোমায় আর ভালোবাসবো না।

আজ এ জীবন জাপটে রাখে খুব ?

গলার কাছে কাঁটার মত বাজে ?

অভিমানে ঘরছাড়া যেই পাখি

সব ভুলে রোজ খাঁচায় ফেরে সাঁঝে-

একদিন সেও নিয়মভাঙার খেলায়

মাতবে যখন ভুলে শেকল টান

বুঝবে তোমার অবহেলার গল্প

পেরিয়ে গেছে তিন সীমানার গান।

এখন যেমন আদর যত্নে মেখে

সম্পর্কের মমিটাকে রাখি

কোনো একদিন দ্বিধাহীন হাতে

ছুঁইয়ে আগুন মুক্তিও দিতে পারি।

এখন যেমন দিনের আলো গেলেই

চোখ থাকে সেই চেনা পথের বাঁকে,

এখন যেমন প্রহর গুণে মন

তোমার ডাকের আশায় বসে থাকে-

জানবেইনা কোন তমশার কালো

একদিন তারও বদলে দেবে ছক

কোন উজানে গা ভাসাবে সেও

মুক্তিবেগে পেরিয়ে যাবে পথ।

সাঁঝের বাতি ফুরিয়ে এলে পরও

যেদিন তোমার অপেক্ষাতে থাকব না,

বুঝবে সেদিন অসুখ গেছে সেরে

সেদিন আর তোমার জন্যে ভাববো না।

কোনো একদিন দিনটা আসবে ঠিক

কথায় মায়ায় পড়ব না বাঁধা

মুক্ত তোমার আকাশপাড়ির স্বপ্ন

আমি তখন শুধু একটা ধাঁধা।

আজ তো আমার অসুখ মনের মাথার

তাই তো দেখো কত্তো কথা বলি

হিজিবিজি এঁকে ভরাই খাতা

তোমার নামে লিখি সুরের কলি।

আজ আমার চাঁদ-পাহাড়ের দেশে

অমাবস্যা, একশো তিন জ্বর

মনের ভিটের কাঁপছে মাটি তাই

প্রেমের ঘরে বিষ-বোশেখী ঝড়।

সত্যি বলছি বুঝতে পারিনি গো

হয়তো আমি পাগল একটু বেশি,

তোমায় বোঝার অভিযানের মাঝে

কখন নিজেই বোঝা হয়ে গেছি।

তবে একদিন পেরিয়ে যাব সবটা

এড়িয়ে যাব, ফেলব না চোখ চোখে,

অপরিচিতের ভিড়ে ঠাসা গলি

যেমন এগোয় দেখেও না দেখে।

যেদিন বারেক ভাঙলে সবই ঝড়ে

রাত করে ভোর আবার সে ঘর বাঁধবো না,

বুঝবে সেদিন অসুখ গেছে সেরে

সেদিন আর তোমার কথায় কাঁদবো না।


লেখিকা- পহেলী পাল

Apr 5, 2021

"আবদারে" - পহেলী পাল

Edit Posted by with 1 comment

 


আবদারে

পহেলী পাল

 

আমি ঠান্ডা চায়ে চুমুক দিয়েও ঠোঁট পুড়িয়ে ফেলতে পারি

যদি তুমি মলম হয়ে আলতোভাবে ঠোঁট ছুঁয়ে যাও।

রুক্ষ মরুর বালির মাঝে বান নামিয়ে আনতে পারি

তৃষ্ণাকাতর হয়ে যদি এক বিন্দু জল চাও।

তবে চাইতে হবে শর্ত এটাই, যেমন খুশি যতখানি,

তোমার মনের গোপন কথা যদিও আমি ভালোই জানি

তবু তোমার আবদারে যে সঞ্জীবনী মন্ত্র আছে

তার জন্যে ভীষণ অসম্ভবের মাঝেও স্বপ্ন বাঁচে।

তার জন্যে সব সীমানার তারকাঁটাতে বিঁধতে রাজি

তার জন্যে সব ভুলে প্রেম নতুন করে শিখতে রাজি।

তার জন্যে আমি পারি যা পারে না অনেক জনে

গলা ছেড়ে বলতে সেসব যা থেকে যায় সবার মনে।

মন ভোলাতে বলছি না যে, সময় এলেই বুঝিয়ে দেব

হোক না জীবন এলোমেলো, ঠিক চার হাতে গুছিয়ে নেব।

শুধু তুমি সময় করে লিখো আমায় মনের আশা

নোনতা খামে মিষ্টি চিঠি তোমার হাতের, ভালোবাসা।


লেখিকা- পহেলী পাল

Dec 7, 2020

"অমিলে" - পহেলী পাল

Edit Posted by with No comments

 


অমিলে

পহেলী পাল

 

তুমি ভীষণ একঘেঁয়ে গান গাও

নিয়ম মেনে রুটিনমাফিক চল,

আমি পেয়েছি বাঁধনহারার স্বাদ

কাটা ঘুড়ি, কী আর করি বল।

 

তুমি একটু অদ্ভুতুরে, কেমন যেন

কোন কথায় কাব‍্যি তোমার নেই,

আমার কিন্তু পাগল পাগল দশা

ছোট্ট ঘর, ছন্দ তালেতেই।

 

তুমি আবার পরিপাটি, খুব গোছানো

আমার তো সব ভাবনাগুলোও ছন্নছাড়া,

তোমার মনে ইচ্ছে আসে কড়া নেড়ে

আমি সবেতেই মিশে যাই, আত্মহারা।

 

জীবন আমার খোলা উপন্যাস

খুবই সহজ, কাঁচা হাতের লেখা

তোমার মনের গোপন তালা চাবির

আদৌ কি কেউ পায় কখনো দেখা ?

 

হয়তো স্মৃতি কঠিন অতীতমাখা

আগামী তাই দেখো শক্ত চোখে,

আমার শুধু আজেই বাঁচা মরা

হাসা কাঁদা সবই হুজুক, ঝোঁকে।

 

তুমি তীব্র বাস্তবতায় জ্বলো

লালচে ঠোঁট, রক্তাক্ত শব্দরাশি

আমার নদীর ব‍্যস্ত গতিপথ

আমি আবার একটু ওই

আবেগ টাবেগে ভাসি।

 


Jul 24, 2020

"সুশান্ত সিং রাজপুত" (ইমানুয়েল হক)

Edit Posted by with No comments


সুশান্ত সিং রাজপুত
ইমানুয়েল হক

শুধু নাম তোমার রাজপুত নয়
কর্মে ও আচরণে রাজপুত্র তুমি।
অভিনয়, নৃত্য, কিংবা বিজ্ঞান
লক্ষ-কোটির অনুপ্রেরণা -
নক্ষত্রপুঞ্জের মাঝে উজ্জ্বল কান্ডারী।
শিখিয়ে গেলে মনে-প্রাণে বাঁচার মানে !

প্রতিটা হাসির পেছনে লুকিয়ে
এক একটা অশ্রুসমুদ্র !
আপনজনদের শূন্যতা ,
প্রিয়তমার দূরত্বের ব্যবধান-
কর্মজীবনের অসহায়তা !!
মৃদু-অগ্নিতে জ্জ্বলন্ত হৃদয়,
বিরহে বিশ্বকে জানালে বিদায় !!

তবে মরতে দেব না তোমায়,
সিনেমায়-অভিনয়ে-কথায়
আর হৃদয়ছোঁয়া নির্মল হাসিতে
কোটি কোটি অনুরাগীর মনে
চিরকাল তুমি অমর হয়ে রবে !
যেখানেই আছো শান্তিতে থেকো
সর্বকালের সেরা, প্রিয় সুশান্ত !!

Jul 11, 2020

তিন-এ নেত্র- (স্বপন কুমার রায়)

Edit Posted by with No comments


তিন-এ নেত্র
স্বপন কুমার রায়

নমিতার মেয়েটা দুলে দুলে নামটা পড়ছে,
এক- এ চন্দ্র, দুই -এ পক্ষ, তিন-এ নেত্র।
অনেকটা সময় ধরে উনুনের হাঁড়িতে জল ফোটাচ্ছে
নমিতা,
মেয়েটা তিন সন্ধ্যা বেলায় খাবার চেয়েছিল,
এই ভর সন্ধ্যায় "ভূতেরা" খায়
এখন খেতে নেই !
এই বলে, মেয়েটাকে চুপ করায়,
এই দিকে মুষ্টির ঘটির চাল টুকো দুপুরে সেদ্ধ করি;
নমিতার বাপটা' সকাল আট'টায় কাজে গিয়েছে |
বলে গিয়েছিল,
ফিরতে দেরি হবে,ওভার ডিউটি আছে
বাড়তি মজুরিতে আমার জন্য শরীর উম রাখার একটা জামা,
মেয়ের জন্য একটা ড্রয়িং করা খাতা আর একটা ট্রাউজার কিনে আনবে,
কেন' যে এত দেরী !
ও মা'- মা
তিন-এ নেত্র ;কারো কারো বুঝি তিনটি চোখ !
হ্যাঁ মা' …না, মা...!!
মেয়েটা কল কল করে বলেই যাচ্ছে,
আমি অনেকগুলি পড়াশুনা করবো।
স্কুল থেকে সাইকেল পাবো,
বই পাবো,
জুতো পাবে,
মা' - আমাদের নামতা পড়ার শিক্ষক
"বল্লে"
পড়াশোনা করলে এক সঙ্গে অনেকগুলো টাকা পাবো !
মেয়ের কথা শুনে নমিতার চোখে জল ছল ছল করে,
মেয়েটা কখন জানি ঘুমিয়ে পরে ছেঁড়া পৃথিবীর উপর ছেঁড়া মাদুরের উপর,
অনেক রাতে !
বাজার শূন্য ব্যাগ পরে রয় মাদুরের একপাশে,
ততক্ষণে হাঁড়ি ভর্তি জল বাষ্প হয়ে চোখের কোণে শুকিয়ে,
তিনটি মানুষ পৃথিবীর এক কোণে ছেঁড়া পৃথিবীর উপর ছেঁড়া মাদুরটায় শুয়ে !

Jun 27, 2020

চুম্বক- (মিষ্টু ঘোষ)

Edit Posted by with 1 comment


চুম্বক
মিষ্টু ঘোষ

সুখ সুখ কষ্টের শিকার হতে হতে মনে উই পোকার ঢিবি তৈরী হয়েছে,
হেমন্তের রেশ কেটে গিয়ে রাতে শীতের চাদর মুড়ি দিয়ে সকালের শিশির চুমু খায় ঘাসের বুক,
দাম্ভিক সূর্যের অহংকার ফিকে হয়েছে কুয়াশার আড়ালে,
সুদীপ্ত নরম ব্ল্যাঙ্কেট ছেড়ে কোনদিন শীত অনুভব করেনি,করতে চায়নি,
খেয়া রোজ ভোরে শিশির দেখে,গানের রেয়াজ সেড়ে ছাঁদে গিয়ে ভোরের আলো মাখে গায়ে।
এই সাদামাটা মেয়েটা ঠিক সুদীপ্ত র বিপরীত।
পছন্দ,স্বভাব কিছুই মেলে না তাদের।
তবুও চুম্বকের মতো আকর্ষণ তীব্র তাদের।

Jun 24, 2020

"পাপি তারা" (স্বপন কুমার রায়)

Edit Posted by with No comments


পাপি তারা
স্বপন কুমার রায়

আজ বড়ো একা লাগে,
রাতটাও বেশ বড়ো
অন্ধকারের ঘনত্ব আগের চেয়ে অনেকটাই ভারী,
আকাশে যে কয়টা তারা দেখে অনুপ্রেরনা পেয়েছিলাম।
সে গুলো যে পাপি তারা বুঝতে একটুও অসুবিধা হচ্ছে না ;
বর্ণমালা সাজিয়ে মায়ের অব্যক্ত কথা গুলো বলতে চেয়েছিলাম,
আজ মায়ের চোখে জল !
বলা হল না-
বর্ণমালা ঠিকরে বের হওয়া শব্দে ডিনামাইট ফাটানোর
আওয়াজ,
নতুন সূর্য্যের অপেক্ষায় থাকা বৃথা।
ভোর হতে না হতেই নতুন সূর্য্যের গর্ভপাত,
রক্তে ভেজা মায়ের আভরন ;
আমি দুহাতে অন্ধকার ঠেলে দেখি একসঙ্গে অজস্র কালো হাত ধেয়ে আমার দিকে,
আমি সখ্যতা করি শামুকের সাথে,
বেঁচে যাই পাপি তারা হয়ে।

Jun 23, 2020

"তুই-আমি" (সৌগত রাণা কবিয়াল)

Edit Posted by with No comments


তুই-আমি
সৌগত রাণা কবিয়াল

আমার বুকে তোর হাজার নখের আঁচড়,
আজকাল সাদা সাদা শুকনো মরে যাওয়া নদীর মতো দেখতে লাগে,
আচ্ছা, তুই কি সেই আগের মতোই আজ অন্য কাওকে ভালোবাসিস ?
তার বুকটা যে আজকাল দেখতে ভীষণ ইচ্ছে জাগে !

Jun 22, 2020

পুরুষ- (তমালিকা গাঙ্গুলী)

Edit Posted by with No comments


পুরুষ
তমালিকা গাঙ্গুলী

সব পুরুষেরা সমান হয় না।
হাতে গোনা কয়েকটা পুরুষের কিছু ভুল এর জন্যে;
আমরা নির্ভয়ে কটুক্তি করি সেই "জাত"কে।
আমাদের সৃস্টিতে যাদের সমান অবদান,
ভুলে যাই সেই মানুষগুলোকে,
যারা সম্পর্কে আমাদের সন্মান, পিছুটান, কর্তব্য।
সত্যি কি এর দায় আমরা এরাতে পারি?
বাস্তবটা হল এড়িয়েই তো যাই,
৯মাস গর্ভে ধারণ করে,
যেমন আমরা মেয়ে রা, "মা" হই।
তেমনি আঙুল ধরে হাটতে শিখিয়ে
একজন ছেলেও "বাবা" হয়।
কই তবু ওদের নিয়ে তো কবিতা লেখা হয় না !
আসলে যেই শব্দ গুলো চোখ দিয়ে অনুভব করি,
সেগুলো দিয়ে নারীসত্বা বিচার হয়।
আর যেই শব্দেরা লুকিয়ে থাকে আন্তরিক শ্রদ্ধায়।
তা দিয়ে রোজ লেখা হয় "পুরুষ" নামক কবিতা।

Jun 18, 2020

স্ব-জন- (আবির গাঙ্গুলী)

Edit Posted by with No comments


স্ব-জন
আবির গাঙ্গুলী

টুকরো কাগজে লেখা এক ছোট্টো চিরকূট
ফেলে দিয়েছি আজ।
যেন কিছুটা শান্তি পেলাম,
খুব অদ্ভুত এই পৃথিবী !
যেখানে পরিবারের শুরু দুজন-
একটি পুরুষ ও নারী।
জীবনের যাত্রাটাও যেন অদ্ভুত !
মাতৃক্রোড়ে জন্ম কোনো পোশাক ছাড়াই
আবার চিতার জ্বালানি,
কবর বা কফিনে
এই নগ্ন শরীর মৃত্যুর পূর্বেও।
যদিও বা জ্বালানিতে নিঃশেষ হয় মৃতদেহ।
তবুও কিছু স্মৃতি ও স্পর্শ তো রয়েই যায়।
ভাবলে অদ্ভুত লাগে যে,
এখানে প্রত্যেক প্রাণীরই অধিকার ও কর্তব্য দুইই আছে।
কিন্তু নিজের জন্য নয়
তার পরিবারের জন্য।
এই পৃথিবী বা বিশ্বে
নিজের বলতে কিছুই নেই
সবকিছুই অপরের জন্য।