Feb 14, 2019

এক আধুরি সি কাহানি

Edit Posted by with No comments


এক আধুরি সি কাহানি
নাহিদা

পশ্চিমের ঝুল বারান্দাটা আজ সাজিয়েছি খুব সুন্দর করে,
যেন তারায় ভরা মেঘের মহল...
কথার ভাঁজে আমি মন লুকিয়ে রাখি,
একলা বিকেলে ওরাও যেন পালাতে চায়।
প্রিয়, তুমি আর রাত জাগো না তাই না?
রাত জেগেই আর হঠাৎ....!!
পড়ন্ত বিকেলে একলা ট্রামের মতো তুমি একলা হেঁটে যাও পাশ দিয়ে,
চোখের কোণে অশ্রু জমে, তুমি আর ফিরে তাকাও না...
জানো প্রিয়, ঈশান কোণে আজ আর মেঘ জমে না, সব মেঘ সেদিন সেই সরোবরের জলে ভাসিয়ে দিয়েছি, ডায়েরী ভর্তি হয় এখন শুধু লাল,নীল কালির আচড়ে,
আর গভীর রাতে আওড়াই "এক আধুরি সি কাহানি"...
আমি স্বপ্ন বুনে চলি প্রিয়, হ্যাঁ তোমার নামেই আজও কত স্বপ্ন দেখি ঘুমের মাঝে,
না...ভয় পেলে তোমার নাম ধরে ডাকতে পারি না আমি,
ঘুম ভেঙ্গে উঠে জানালা খুলে আনমনে কুয়াশা গিলি শুধু,
বোকা কান্না গুলোকে চেপে ধরে দুচোখের আলমারিতে ভাঁজ করে রেখে দেই।
আমার চিলেকোঠা থেকে এখন তোমার বাড়ির ছাদটা স্পষ্ট দেখা যায়,
মাঝে মাঝে রাতের বেলায় শুনতে পাই তোমার শান্ত গলায় "শোন অভ্যাস বলে কিছু হয় না এ পৃথিবীতে...."
কখনও দেখি সন্ধ্যাবেলায় ব্যালকনিতে বসে সুর তোলো গিটারে....,
আমি কাঁচের জানালার ফাঁক দিয়ে দেখি কেবল, আর তোমার সুরে মিথ্যেই বোধহয় তোমাকে খুঁজে চলি।
আচ্ছা প্রিয়....তুমি কোনোদিনও ভেবেছো পোড়ামুখী কে নিয়ে??
কখনও স্বপ্ন দেখেছো আমায় ঘিরে?? বড্ড জানতে ইচ্ছে করে জানো....
রাতের পর রাত জেগে কাটিয়েছো কখনও নির্বাক নিশ্চুপ ঘরে?
নিশুতি রাতে একলা "একবার বল তোর কেউ নেই তোর কেউ নেই..." শুনে ভয়ে কেঁপেছো কখনও?
আর কোনদিনও আমার খবর নিও না প্রিয়,
দুচোখের পাতার আড়ালে আর কোনোদিনও রক্তাভ লাল যেন কেউ না দেখে ফেলে,
ঘুম ভাঙ্গা ভোরে আমাকে দেখে আর কখনও ডুকরে কেঁদো না তুমি,
পারলে তুমিও সাজিও তোমার মনের ঘরে “এক আধুরি সি কাহানি...।


ভালোবেসে যাই

Edit Posted by with 1 comment


ভালোবেসে যাই
প্রিয়াঙ্কা বর্মণ

প্রতিনিয়ত ভালোবেসে যাই তোমাকে
তোমার পারফিউমের গন্ধ,
তোমার প্রিয় ব্ল্যাককফি,
তোমার বেখেয়ালীপনাকে

রোজ ভালোবেসে ফেলি তোমায়
নতুন করে উপলব্ধি করি,
ছুঁয়ে যাই তোমার স্মৃতি,


আবার ভালোবাসবো তোমায়
এবার নাহয় পিছিয়ে এলাম;
ফিরবো আবার

এক বৃষ্টিস্নাত দিনে,
তোমার বুকে আশ্রয় নিয়ে
ভিজবো আবারও...


ভ্যালেন্টাইন বাড়ি আছো?

Edit Posted by with No comments


ভ্যালেন্টাইন বাড়ি আছো?
বিশ্বজিৎ প্রামাণিক

যে বসন্তে ফুল ফোটেনি-
রক্ত দিয়ে রাঙানো হয়েছিল সময়!
যে হেমন্তে গান ভাসেনি-
শ্লোগানে শ্লোগানে শহর ঘিরেছিল হৃদয়!

সেদিনও প্রতিবাদ থামেনি-
ক্ষান্ত হয়নি ব্যস্ত শহরের স্বর।
সেদিনও ভালোবাসা কমেনি-
আজ শহর জুড়ে অদ্ভুত ভয়ের জ্বর!

শহরে ঘিরেছে প্রবল কাঁপুনি-
মৃত স্পাইনালে কমেছে বাজারদর!
কথা দিয়েছিস প্রেয়সী-
চিরবসন্ত নাকি নামবেই জীবনভর!

ভ্যালেন্টাইন আজও ঘরে ফেরেনি!
প্রতীক্ষায় জাগে রাখাল আর মজিবর!
বিপ্লব কী আর সুখের ঘরণী?
নির্বাক বসন্তেই বিপ্লব নামবে শহর ভর!


অন্যরকম উপন্যাস

Edit Posted by with No comments


অন্যরকম উপন্যাস
সায়নী ঘোষ

আমার একলা আকাশে যখন কেবল বর্ষার মেঘমাদলের সমাবেশ .. ঠিক তখনি এক জাদুকরের জাদুকাঠিতে আমি আমার হারানো সব রং ফিরে পেয়েছিলাম আমি .. আলোর উৎস আর  বসন্তের প্রথম কোকিলের ডাক শুনে ভোরসূর্যের হৃদয়ে যে প্রানময়তার উৎক্ষেপণ হয় ঠিক তেমন করেই তোমার কথার ছন্দে আমি আমার বেখেয়ালি জীবনের নৌকোটাকে জীবনের খেয়ালের স্রোতে প্রাণবন্ত করে তুলেছিলাম..
তোমার প্রতিটা হাসিতে জড়িয়ে পড়েছিলাম আমি ..
তোমার প্রতিটা চাউনি তে আমি কেবল আমার স্বপ্নীল ভবিষ্যতের উপন্যাস রচনা করতাম..
প্রতিটা পদক্ষেপে আমি সাজিয়ে নিতাম আমার মাটির পৃথিবীর প্রতিটা হৃৎস্পন্দন..
তোমার প্রথম হাতে করে খাইয়ে দেয়া মুহূর্ত থেকেই আমি তোমার কাছে হারিয়ে গেছিলাম..
তোমার সাথে চলতি পথে হেঁটে যাওয়া বাকের মুখের বিদায় বেলাতেও আমি তোমায় হারিয়ে ফেলার ভয় পেতাম ...
তোমার ছোট ছোট ব্যথা , আর চোখের জল আমার মতো হৃদয়হীনের চোখেও জল এনে দিত..
যখন তুমি প্রশ্ন করতে.." মাত্র এই কদিনের দেখাতে তুই কীভাবে এতোটা মিশে গেছিস!"
আমি বোকার মত উত্তর দিতাম " জানিনা! হয়তো তোমার অপেক্ষাতেই ছিলাম.."
কিন্তু আমায় ক্ষমা করে দিও ... পাসওয়ার্ড হয়ে তুমি বেঁচে আছো কেবল.. সেদিন তোমায় বিসর্জন দিয়ে এসেছি ওই নির্জন নদীর ধারে .. যেখানকার খোলা বাতাসে তুমি আমায় গল্প শোনাতে..আজ সে গল্পে অন্য নায়িকা .. .. আমি হারিয়ে গেছি আবার কোলাহলে .. মেঘলা আকাশ বৃষ্টি খোঁজে মনখারাপের দিনে...
" তুমি সে ঘরে সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালো
হয়তো নতুন ঘরেই বেশি আলো..
নতুন মানুষ আমার চেয়েও ভালো? "


অপেক্ষায় তিন বছর

Edit Posted by with No comments


অপেক্ষায় তিন বছর
প্রশান্ত সরকার (সৌম্য)

তখনও ছিলাম আর এখনও আছি
আচ্ছা আমাদের প্রেম কি মিছে মিছি
তুমি আমার কাছে মরুভূমিতে পাওয়া জল
আর সমুদ্রে পাওয়া অল্প স্থল
তোমার সেই নারঙ্গের মতো ঠোঁট
হয়নি আমার মন এখনও পালট
আমি তোমাকে এখনও চাই
তিন বছর পরেও যেন আমি তোমাকেই পাই
সেই স্থান,যেখানে আমি আর তুমি ছিলাম বসে
তিন বছর পরে সে আমাদের দেখে উঠবে হেসে

আচ্ছা আমি তো আসবো সেখানে
তুমি কি আমায় তখনও রাখবে মনে
তবে তিন বছরের অপেক্ষায়
যদি ফিরে আসি ব্যর্থতায়
তাও কি আমাকে চাইবে
 নাকি জন শূন্যে ছুঁড়ে ফেলে দেবে
তবে আমি থাকবো কেমনে
তুমি সর্বদা বিরাজ করবে আমার মনে।


Feb 10, 2019

নেট ফড়িং সংখ্যা ৭৫

Edit Posted by with No comments

Feb 3, 2019

নেট ফড়িং সংখ্যা ৭৪

Edit Posted by with No comments

Jan 31, 2019

ভ্রূণকন্যা

Edit Posted by with No comments


ভ্রূণকন্যা
ধ্রুবজ্যোতি সরকার

তখন শেষ বিকেল দুই রাস্তার মোড়ে একটি একতলা সাজানো গোছানো সুন্দর বাড়ি রাস্তাদুটির একটি সোজা চলে গেছে "দিগন্ত" বৃদ্ধাশ্রমের দিকে বাড়িটির সামনে একটি ট্যাক্সি দাঁড়িয়ে গাড়ির পেছন সিটে একজন বৃদ্ধ বৃদ্ধা বসে কারও জন্য হয়তো অপেক্ষা করছে বাড়ি থেকে এক যুবক গাড়িতে উঠতেই গাড়িটি ছেড়ে দেয় যুবক বৃদ্ধ-বৃদ্ধার ছেলে হবে সম্ভবত
গাড়ি এগিয়ে চলে দিগন্তের রাস্তা ধরে বৃদ্ধ উদাস মনে পেছন দিকে চেয়ে থাকে বৃদ্ধের নাম অনুভব অনুভব একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করতো অনেক কষ্টে টাকা জমিয়ে বাড়িটি তৈরি করেছিল সে কষ্টের চেয়েও বেশি জড়িয়ে আছে তার স্বপ্ন ইট দিয়ে নয় স্বপ্ন দিয়েই সেটা নির্মাণ করা দেখতে দেখতে অনেক দূরে সরে যায় তারা, ঝাপসা হয়ে আসে বাড়িটি তার নিজের আবাস এভাবে কোনোদিন ছেড়ে দিতে হবে তা স্বপ্নেও কল্পনা করেনি অনুভবের কিছু বলার ছিল না তাদের ছেলে রুপ পরের দিনের ফ্লাইটেই কানাডা চলে যাচ্ছে কে দেখবে এখন তাদের
অন্যদিকে ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে চোখ বন্ধ আসে বৃদ্ধার সেই অনেক বুঝিয়ে অনুভবকে রাজি করিয়েছে, প্রথম প্রথম তো আসতেই চাইছিল না একাকী জীবনের শেষ সময়টার কথা কল্পনা করে মাথা ধরে আসে তার, একটু পরে হয়ত ঘুমিয়েও পরে
গাড়ি পৌঁছে যায় দিগন্তের গেটে হটাৎ দেখা যায় অঞ্জলী দাঁড়িয়ে অঞ্জলী তাদের প্রথম সন্তান তাকে একপ্রকার না জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে 'ড্রাইভার গাড়ি ঘোরাও' বলতেই রূপের সাথে তার বিবাদ লেগে যায় রূপ বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করলে অবশেষে ঠিক হয় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা মেয়ের বাড়িতেই থাকবে অঞ্জলী নিজে স্কুল শিক্ষিকা তাছাড়া বরও চাকুরীজীবী, বাড়িতে এক মেয়ে সুতরাং কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয় ট্যাক্সির গতিপথ আবার পাল্টে যায়
গল্পের শেষটা বোধহয় এমনি প্রত্যাশিত ছিল কিন্তু না, শেষটা আর এরকম হয় না অঞ্জলীকে যে জন্মাতেই দেওয়া হয়নি এসেছিল অঞ্জলী ঠিকই কিন্তু তাকে পৃথিবীর আলো আর দেখতে দেওয়া হয়নি জন্মাবার আগেই তাকে মরে যেতে হয়েছে সিদ্ধান্তটা অনুভবের ছিল অঞ্জলী কন্যা ভ্রূণ শনাক্ত হওয়ার পর প্রথমে রাজি না হলেও পরে রাজি হয়ে যেতে হয় বৃদ্ধাকেও কন্যা ভ্রূণের জন্য আজ এতদিন বাদে বুকটা মুষড়ে ওঠে বৃদ্ধার
ট্যাক্সি দিগন্তের সামনে তাদের নামিয়ে দিয়ে ফিরে যায় তারা 'দিগন্তের' গেট পেরিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে সামনের দিকে তখন সূর্য ডুবু ডুবু শেষ বিকেলের ম্লান আলো আকাশে ছড়িয়ে গেছে এক বুক অসহায়তা চোখের জলের সঙ্গে মিশে নদী বইয়ে দেয় দিগন্তের বুকে দুজন একে অপরের হাত ধরে কাঁপা কাঁপা পায়ে এগোতে থাকে দূর থেকে পড়ন্ত রোদের আলো তখন অঞ্জলীর হাসির সঙ্গে মিশে অস্তের দিকে


Jan 27, 2019

নেট ফড়িং সংখ্যা ৭৩

Edit Posted by with No comments

Jan 19, 2019

নেট ফড়িং সংখ্যা ৭২

Edit Posted by with No comments