Feb 3, 2019
Jan 31, 2019
ভ্রূণকন্যা
Edit Posted by নেট ফড়িং with No comments
ভ্রূণকন্যা
ধ্রুবজ্যোতি সরকার
তখন শেষ বিকেল। দুই রাস্তার মোড়ে একটি একতলা
সাজানো গোছানো সুন্দর বাড়ি। রাস্তাদুটির একটি সোজা চলে গেছে
"দিগন্ত" বৃদ্ধাশ্রমের দিকে। বাড়িটির সামনে
একটি ট্যাক্সি দাঁড়িয়ে। গাড়ির পেছন
সিটে একজন বৃদ্ধ
ও বৃদ্ধা বসে। কারও
জন্য হয়তো অপেক্ষা করছে । বাড়ি থেকে
এক যুবক গাড়িতে উঠতেই গাড়িটি ছেড়ে
দেয়। যুবক বৃদ্ধ-বৃদ্ধার ছেলে হবে সম্ভবত ।
গাড়ি এগিয়ে চলে দিগন্তের রাস্তা ধরে। বৃদ্ধ উদাস
মনে পেছন দিকে
চেয়ে থাকে। বৃদ্ধের নাম অনুভব। অনুভব একটি
বেসরকারি অফিসে চাকরি
করতো । অনেক কষ্টে
টাকা জমিয়ে বাড়িটি তৈরি করেছিল সে। কষ্টের চেয়েও বেশি জড়িয়ে
আছে তার স্বপ্ন। ইট দিয়ে নয় স্বপ্ন দিয়েই সেটা নির্মাণ করা। দেখতে দেখতে
অনেক দূরে সরে যায় তারা, ঝাপসা
হয়ে আসে বাড়িটি। তার নিজের আবাস এভাবে
কোনোদিন ছেড়ে দিতে
হবে তা স্বপ্নেও কল্পনা করেনি। অনুভবের কিছু
বলার ছিল না । তাদের ছেলে
রুপ পরের দিনের
ফ্লাইটেই কানাডা চলে যাচ্ছে। কে দেখবে
এখন তাদের।
অন্যদিকে ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে চোখ বন্ধ আসে বৃদ্ধার। সেই অনেক
বুঝিয়ে অনুভবকে রাজি
করিয়েছে, প্রথম প্রথম
তো আসতেই চাইছিল না । একাকী জীবনের শেষ সময়টার কথা কল্পনা করে মাথা
ধরে আসে তার,
একটু পরে হয়ত ঘুমিয়েও পরে।
গাড়ি পৌঁছে যায় দিগন্তের গেটে। হটাৎ দেখা
যায় অঞ্জলী দাঁড়িয়ে। অঞ্জলী তাদের প্রথম সন্তান । তাকে একপ্রকার না জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
। 'ড্রাইভার গাড়ি ঘোরাও' বলতেই রূপের
সাথে তার বিবাদ
লেগে যায়। রূপ বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করলে অবশেষে ঠিক হয় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা মেয়ের বাড়িতেই থাকবে। অঞ্জলী নিজে স্কুল শিক্ষিকা তাছাড়া বরও চাকুরীজীবী, বাড়িতে এক মেয়ে
সুতরাং কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ট্যাক্সির গতিপথ আবার পাল্টে যায়।
গল্পের শেষটা বোধহয় এমনি
প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু না, শেষটা আর এরকম
হয় না। অঞ্জলীকে যে জন্মাতেই দেওয়া হয়নি। এসেছিল অঞ্জলী ঠিকই কিন্তু তাকে পৃথিবীর আলো আর দেখতে দেওয়া
হয়নি। জন্মাবার আগেই তাকে মরে যেতে
হয়েছে। সিদ্ধান্তটা অনুভবের ছিল। অঞ্জলী কন্যা ভ্রূণ শনাক্ত হওয়ার পর প্রথমে রাজি না হলেও
পরে রাজি হয়ে যেতে হয় বৃদ্ধাকেও। কন্যা ভ্রূণের জন্য আজ এতদিন বাদে বুকটা
মুষড়ে ওঠে বৃদ্ধার।
ট্যাক্সি দিগন্তের সামনে তাদের
নামিয়ে দিয়ে ফিরে
যায় । তারা 'দিগন্তের'র গেট পেরিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে
সামনের দিকে। তখন সূর্য
ডুবু ডুবু। শেষ বিকেলের ম্লান আলো আকাশে
ছড়িয়ে গেছে। এক বুক অসহায়তা চোখের জলের
সঙ্গে মিশে নদী বইয়ে দেয় দিগন্তের বুকে। দুজন একে অপরের হাত ধরে কাঁপা কাঁপা পায়ে
এগোতে থাকে। দূর থেকে
পড়ন্ত রোদের আলো তখন অঞ্জলীর হাসির
সঙ্গে মিশে অস্তের দিকে।
Jan 27, 2019
নেট ফড়িং সংখ্যা ৭৩
Edit Posted by নেট ফড়িং with No commentsJan 19, 2019
নেট ফড়িং সংখ্যা ৭২
Edit Posted by নেট ফড়িং with No commentsJan 17, 2019
ফড়িং কথা
Edit Posted by নেট ফড়িং with No comments
ফড়িং কথা
এই পৃথিবীটা শুধু মানুষের একার নয়। তবে
জীবনে
চলার পথে মানুষ এটা ভুলে যায় কখনো-কখনো। সম্প্রতি ঘটা এন আর এসের কুকুর
নিধনের ঘটনা তা প্রমাণ করে। কোন শিশুর সামনেই পথের কোন প্রাণী তা সে কুকুর হোক বা
বেড়াল তার প্রতি আমরা যদি বিমাতৃসুলভ আচরণ করি তবে তার প্রভাব সেই শিশুটির ওপরেও
পড়ে। সেও বড় হয়ে তাদের সাথে একই আচরণে নিবিষ্ট হয়। আমাদের সমাজ চলছে তো এই পথেই।
আমাদের বাড়ির পোষা প্রাণীটিই কি শুধু প্রাণী? এই পৃথিবী তো সবার। আগামী প্রজন্ম কে
এই শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। নইলে এমন বেদনাজনক ঘটনা বারবার থাবা বসাতে পারে
আমাদের সমাজে। আসুন আমরা আগামী প্রজন্ম কে আদর্শের পথ দেখাই।
Jan 13, 2019
নেট ফড়িং সংখ্যা ৭১
Edit Posted by নেট ফড়িং with No commentsJan 7, 2019
নেট ফড়িং সংখ্যা ৭০
Edit Posted by নেট ফড়িং with No commentsJan 3, 2019
কলঙ্ক
Edit Posted by নেট ফড়িং with No commentsDec 30, 2018
নেটফড়িং বইমেলা সংখ্যা ২০১৯
Edit Posted by নেট ফড়িং with No commentsDec 26, 2018
নেট ফড়িং সংখ্যা ৬৮
Edit Posted by নেট ফড়িং with No commentsDec 25, 2018
বাবাই আসল সান্টাক্লজ
Edit Posted by নেট ফড়িং with 4 commentsবাবাই আসল সান্টাক্লজ
বিক্রম শীল
প্রতি ২৪শে ডিসেম্বর এর রাতে ঘুম আসতো না। কী উপহার নিয়ে আসবে সান্টাক্লজ এই ভেবে রাত কাটতো। সকালে মা’র ডাকে যখন ঘুম ভেঙ্গে যেত, তখন বালিশ তুলে পেতাম অনেকগুলো চকোলেট আর স্কুল ব্যাগ এ থাকা টিফিন বাক্স টা ভরে থাকতো কাপ কেক দিয়ে। সেই পাওয়ার অফুরান আনন্দেই কেতে যেত বড়দিনের ছুটির সকাল। সান্টার দাওয়া উপহার এর কথা বলে বেড়াতাম বন্ধুদের। শুধু পেতাম না বাবা-কেই, প্রাইভেট ফার্মে কাজ করায় সেদিনও কাজে যেতে হত বাবা-কে। রাতে বাবা বাড়িতে ফিরে এলে বাবা-কেও বলে শোনাতাম উপহারের কথা। বড় হয়ে বুঝলাম বাবাই আমার আসল সান্টাক্লজ।
Dec 16, 2018
নেটফড়িং সংখ্যা ৬৭
Edit Posted by নেট ফড়িং with No comments
Subscribe to:
Posts (Atom)







