বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। ইমেইল - netphoring@gmail.com ফোন - 7908076073

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

প্রেমেই মুক্তি (কবিতা) - রেজওয়ান আলী


রেজওয়ান আলী


আমি তো শুধু 'প্রেম' লিখতে চাই, লাল কালিতে

পীড়িতরা কষাঘাত করে চেতনায় নি:শব্দে



আমি লিখতে চাইনা তাদের নিয়ে, যেসব শিশুর

রাস্তায় ঘর বাড়ি, নোংরা শরীর শীতে কাঁপে,

পথকুকুরের সাথে সখ্যতা, দূরত্ব বাড়ে উচ্ছিষ্টের দখলে



আমি লিখতে চাইনা সেইসব অসহায় নারীর গল্প

যারা প্রতিরাতে মাতাল স্বামীর কাছে ধর্ষিত হয়

দশবার, ছেড়া শরীর নিয়ে কাঁদে ঘরের কোনে বসে

আর নিরুপায় হয়ে দোষ দেয় অদৃষ্টকে



আমি লিখতে চাইনা উত্তপ্ত সময়ের ধরমীয় বিদ্বেষ

যেখানে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় কাঁচামানুষ,

পাশবিকতার বিরুদ্ধে মৌন মিছিল, বাতাসে অধরমের ছাই

যেখানে বৃদ্ধা বিধবা মা ঘরছারা হয় ছেলের দাপটে

কৃষ্ণপক্ষের রাতে, শেষ নি:শ্বাস জানায় বুকে

তুলে এনেছিল আস্তাকুড়ে থেকে, আদরে লালন করেছিল



কি হবে এই প্রেমহীন পৃথিবীর?

ভাষায় শুধু চকমকির আগুন, ধমকানি, বেসুরে গান,

তাই আমি শুধু 'প্রেম' লিখতে চাই, লাল কালিতে

সেই প্রেম ঝরে পড়ুক তাদের উপর, ওদের উপর

আর তারপর চুমু খাক

ক্ষুদ্র (কবিতা)- উজ্জ্বল বর্মন

উজ্জ্বল বর্মন


আমি একজন তুচ্ছ মাত্র

এই বটবৃক্ষ মাঝে,
আমাকে একেবারে তুচ্ছ ভেবোনা
এই বৃহৎ সমাজে ।।
হামাগুড়ি দিয়ে আমি
চলেছি সামনে এগিয়ে,
অনেক দূর যেতে হবে
থাকবো না আর পিছিয়ে ।।
ছোট ছোট কাজ দিয়ে
রেখে যাবো পরিচয়,
আগামীরা অনুসরণ করবে তাই
ভাবিনা এটাই নিঃশ্চয় ।।
ছোট বড় সকলকে নিয়ে
 আমাদের এই পরিবেশ,
ক্ষুদ্রের মাঝেই প্রতিফলিত হবে
ঘটবে বৃহৎ এর উন্মেশ ।।
ছোটকে কেউ ভেবোনা ছোট
ক্ষুদ্রের মাঝেই বৃহৎ,
এই ছোটরাই গড়ে তুলবে একদিন
 ভবিষ্যৎ জগৎ

মুক্তি (কবিতা)-ছবি ধর

ছবি ধর 

মুক্তি আঁকতে  চেয়েছিলাম
নক্ষত্রের সীমানা আঁকতে চেয়ে পেয়েছি অক্ষমতা  ,
জোনাকির আলোয়  ছুঁয়ে পেয়েছি  আত্মবেদন,
দহনের আলোয় পার করেছি
অনেক রাত l

অন্তরলোকে  চলছে ভাঙাগড়া  ,
অদৃশ্য  তানপুরায় বেজে চলেছে -
আরোহন অবরোহন



আজও ভালোবাসি (কবিতা)-সুবিনয় বিশ্বাস

সুবিনয় বিশ্বাস
 

আমি, তুমি দুজনে মিলে বৃষ্টিতে আজ ভিজি,

সঙ্গী আমার হবে নাকি? বল শুধু রাজি

ইচ্ছে ছিল তোমার হাতের স্পর্শ পাব আজ,

মুখে বুঝি ফুটে উঠলো লজ্জাপাতার লাজ?

 রেশমি চুড়ি হাতে থাকবে আর চুলে বেলি ফুল,

তোমায় আমি চিনতে ,বেশি করিনি তো ভুল

মিষ্টি তোমার মুখের হাসি, মিষ্টি ব্যবহার,

এই জিনিসটি কারো কাছে পাইনি আগে আর

লিখতে লিখতে চোখের কোনায় জমে গেল জল,

 আমার ভালবাসার কি এটাই হল ফল?

মনের কষ্ট মনে রেখে আজ বসে আছি,

তোমায় আমি আজও কিন্তু খুব ভালবাসি



(কবিতা) বসন্ত ফিরিয়ে দে-জাহাঙ্গীর হোসেন

জাহাঙ্গীর হোসেন


বসন্ত আমার দ্বারে

বসন্তের হাওয়া আমায় নাড়ে

আমি কিভাবে বোঝাই তারে

আমি যে তোর আপন কেউ নারে

তাই তো তুই আমাকে ছেড়ে যাবি মাত্র দুটি মাস পরে

দেখ তোর হাওয়ায় আমার মনটা উঠেছে নড়ে

বল তুই কোন মুখে আমায় যাবি ছেড়ে

তোকে ছাড়া আমি অসহায় যে রে

যদি যেতেই হয় তাহলে কেন তুই আমার মনটা নিলি কেড়ে

 দেড়ে আমায় দেড়ে

আমার সেই পুরনো দিন গুলো ফিরে

তুই চলে যাবি যা কিন্তু আমার দিনগুলো ফিরিয়ে দে নারে


পোঁড়া বাঁশি (কবিতা)-সাহানুর হক

সাহানুর হক
 
ভোরের শেষে সূর্য্যিমামা যেই না ঊঁকি দেয়

মায়ের ডাকে ছোট্ট সোনার দিন যে শুরু হয়

খুব যতনে মা যে তাঁকে ভালোবাসার মায়ায়

সারা জীবন ধরে রাখে সুখ আঁচলের ছায়ায়

নিজের কথা ভাবতে বললে দেখি শেষের বেলায়

মায়ের নাকি পেট ভরেছে ছোট্ট সোনার খেলায়

এই জগতে বেঁচে থাকার যত কষ্ট যাতনা

পিতা হারানো ছেলেকে মা বুঝতে দিল না

মায়ের দুঃখে সুখ কুঁড়িয়ে সে যখন বড় হল

বুঝল না তাঁর প্রতিচ্ছবি মায়ের কষ্টে ছিল

ছেলে আজকে বলে ওমা বড় হতে চাই

তুমি আমায় বললে আমি শহরেতে যাই

মা কোনোদিন ছেলের কথা ফেলতে পারে না

তাই তো তাঁকে পাঠায় শহর বুঝতে পেল না

দিনে দিনে দিন ফুঁরালো ছেলে আজ মোর কোথায়

নিরীহ মা যে কেঁদে মরে ছেলে হারানোর ব্যাথায়

ষ্টেশনের চৌকাঠিতে সকাল সাঁঝের বেলায়

কেউ কি জানো ছেলে আমার কোন শহরের মেলায়

কুঁড়েঘরে ক্ষত মায়ের সেসব কষ্ট যাতনা

শহরের ওই অট্টালিকার ছেলে বুঝল না

দিন ফুঁরিয়ে মাস গড়ায় তবু মায়ের মন

ছেলে বুঝি ফিরে এল ভাবছে প্রতীক্ষণ

এই জনমে সেই মায়ের ওই পোঁড়া বাঁশির ডাকে

ছেলে যে আর ফিরবে না তাঁর কে বোঝাবে তাঁকে ???

(এক দুঃখী মায়ের বেদনা কে উদ্দেশ্য করে)