Oct 24, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২১৬

Edit Posted by with No comments

Oct 17, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২১৫

Edit Posted by with No comments

Oct 11, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২১৪ (পূজা সংখ্যা - ২০২১)

Edit Posted by with No comments

Oct 3, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২১৩

Edit Posted by with No comments

Sep 26, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২১২

Edit Posted by with No comments

Sep 19, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২১১

Edit Posted by with No comments

Sep 10, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২১০ (জন্মদিন সংখ্যা - ২০২১)

Edit Posted by with No comments

Sep 5, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২০৯

Edit Posted by with No comments

Aug 29, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২০৮

Edit Posted by with No comments

Aug 28, 2021

লেখকের চোখে নেট ফড়িং

Edit Posted by with No comments

লেখকের চোখে নেট ফড়িং

লিখেছেন- মৌমিতা ভাওয়াল দাস

 

নেট ফড়িং নামটা শুনলেই একটা উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয় ম্যাগাজিনটি পড়ার। আমার ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছিল। পড়তে শুরু করে দেখি বিভিন্ন পাঠকের ভিন্ন রসের কবিতা ও গল্প রয়েছে এই ম্যাগাজিনে। কবিতা ও গল্পগুলির  সাথেই আমাদের এই অচেনা উত্তরবঙ্গের আনাচে-কানাচে, অলিগলির ছবি ফুটে উঠছে এর স্তরে স্তরে। ম্যাগাজিনটি আমাদের বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ গুলিকে মাথায় রেখে প্রতিমাসে ভিন্ন স্বাদের লেখা আমাদের উপহার দেয়। তবে শুধু কবিতা বা গল্প নয় বিভিন্ন নামকরা বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়া, ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, হাতে আঁকা ও তোলা ছবি স্থান পায় এই ম্যাগাজিনের পাতায়-পাতায়। এক কথায় বলতে গেলে শিল্পীর সৃষ্টিকে করে সযত্নে জনসমক্ষে প্রস্তুত করে নেট ফড়িং এর কর্তৃপক্ষ। এই ভালোবাসা ও লালিত্যের আমিও কিছুটা স্বাদ পেয়েছি বলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। এভাবেই এগিয়ে যাক নেট ফড়িং। আরো প্রশস্ত হোক তোমার চলার পথ। ভালো থেকো নেট ফড়িং।


Aug 22, 2021

নেট ফড়িং সংখ্যা - ২০৭

Edit Posted by with No comments

Aug 21, 2021

দায়িত্ব

Edit Posted by with No comments

 

দায়িত্ব

দীপজ্যোতি গাঙ্গুলী

 

বাসুদেববাবুর স্ত্রী হঠাৎই মারা গেলেন আজ ভোরে। গতকাল রাতেও বেশ স্বাভাবিক ছিলেন। ঘুমের মধ্যেই স্ট্রোক। বাসুবাবুর সাথে ওনার যে খুব মিল ছিল তা নয়। বাসুবাবু ব্যাবসায়ী মানুষ সারাদিনই প্রায় বাইরে বাইরে থাকতে হয়। আর তাছাড়াও দীর্ঘ পঁয়তাল্লিশ বছরের বৈবাহিক জীবনে ওনারা ছিলেন নিঃসন্তান। তাই কানাঘুষোয় একবার শুনেছিলাম ওনারা নাকি ইদানীং আলাদা ঘরে শোন।

সরকারী হাসপাতাল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে বডি রিলিজ করার পর বাসুবাবুই বডি নিয়ে আসেন বাড়িতে। আত্মীয়-স্বজন বলতে মীরা দেবীর দুঃসম্পর্কের এক ভাই আর এক মামাতো বোন। খবর পেয়ে ওনারাও এসেছিলেন শেষ দেখা দেখতে।

এখন বিকেল চারটা। শেষকৃত্য করে সদ্য বাড়ি ফিরলেন বাসুবাবু। যারা এসেছিলেন তারাও ফিরে গিয়েছেন। হঠাৎই কেমন যেন একা মনে হল ওনার। দীর্ঘদিন কথা না হলেও পাশে পেতেন মীরা দেবীকে আজ কেমন যেন খালি খালি লাগছে। ওনাদের সম্পর্কে মধুরতা না থাকলেও স্ত্রী হবার দায়িত্ব সবসময় পালন করে গেছেন মীরা দেবী। এসব ভাবতে ভাবতে ডাইনিং রুমে গিয়ে ফ্রিজটা খুললেন বাসু বাবু। আর তখনই থমকে গেলেন, ফ্রিজে পড়ে আছে গতরাতের রান্না করা বাসি খাবারগুলো। হঠাৎ মনে হল কেউ যেন পাশ থেকে বলল, "সারাদিন কিছুই তো খেতে পারোনি। এগুলোই গরম করে খেয়ে নাও। এখন তো নিজেকেই সবটা সামলাতে হবে।" ওখানেই আটকে গেলেন বাসুবাবু। গলাটা নিজের অজান্তেই ভারী হয়ে আসলো।

তাহলে কি মরে গিয়েও স্ত্রী এর দায়িত্ব পালন করে গেলেন মীরা দেবী?